সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নিজের দুর্বলতা কে নিজের শক্তি বানাও

 আমাদের  জীবনে অনেক  সময় সমস্যা আসে  , আমরা ভেঙ্গে পড়ি নিরাশ হয়ে পরি । আমাদের এই সমস্যার জন্য ,কখনো অন্যকে ,কখনো ভগবান কে দোষ ,দেই । আমরা মনে করে আমাদের জীবনটা বৃথা ,  জীবনে কিছু করতে পারবো না । এই ভেবে আমরা চেষ্টা করা ছেড়ে দেই । কিন্তু আমরা ভুলে যাই এই পৃথিবীতে যারা সফলতা অর্জ্জন করেছেন তারা কিন্তু একবারে সফলতা পান নি , অনেক বার  বিফল হয়েছেন ,বার বার বিফল হয়েও হার না মেনে আবার চেষ্টা করেছেন আর এই চেষ্টা এই তাদেরকে সফল বানিয়েছে ।  আমরা তো এই পৃথিবীতে হাত , পা, সুস্থ শরীর নিয়ে এই পৃথিবীতে জন্ম গ্রহণ করেছি , তবুও আমরা হার মেনে নেই । কিন্তু এই পৃথিবীতে কিছু    মানুষ আছে যারা এই পৃথিবীতে বিনা হাত, বা বিনা পাও নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন , কিন্তু তাদের এই দুর্বলতা কে নিজের শক্তি বানিয়ে সফল হয়েছেন । এমনেই একজন ব্যক্তি ছিলেন    Nick Vujicic ।    Nick Vujicic জন্ম থেকেই তার হাত , পা ছিল না , কিন্তু তিনি তার এই দুর্বলতা কে নিজের শক্তি বানিয়ে জীবনে সফলতা অর্জন করেন ।  Nick Vujicic জন্ম ৪ ডিসেম্বর ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ...

কর্মের উপর নির্ভর করে সর্গ ও নরকের দ্বার

আমাদের কর্মই আমাদের জীবনের সুখ ,শান্তি ও দুঃখ ,কষ্ট নির্ভর করে । আমরা মনে করি জীবনে পূজা পার্ব্বণ করে মৃত্যুর পর স্বর্গ লাভ করবো ,কিন্তু ইহা আমাদের ভুল ধারণা ।  আর স্বর্গ ও নরক বলে কোনো কিছু হয় না ,এই পৃথিবীতে এই স্বর্গ আর এই পৃথিবীতে এই নরক ,এই জন্মেই আমরা স্বর্গের ও নরকের সুখ দুঃখ ল্যাব করে থাকি ।  আমাদের কর্মের সাহায্যে আমরা এই জন্মেই নরক ও স্বর্গের ফল ভুগে থাকি , যদি আমরা কর্ম ভালো করি , তাহলে এই জীবন এই আমরা স্বর্গের সুখ পেয়ে থাকি ,আর যদি আমাদের কর্ম খারাপ হয়ে থাকে তাহলে আমরা এই জন্মেই  আমাদের কাছে নরক ।  ভগবান বুদ্ধা এর একটি কাহিনী বলছি ।  একটি গ্রামে এক ধোনি ব্যাক্তি ছিল , একদিন হটাৎ তার পিতা হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন । পিতার মৃত্যুর পর পিতার আত্মার শান্তির জন্য ও স্বর্গ লাভের জন্য পূজা করবেন তার জন্য তিনি একজন মহৎ পুরোহিতের কাছে যান , কিন্তু সেই পুরোহিত তাকে পরামর্শ দেন , তিনি ভগবান বুদ্ধ এর কাছে যাওয়ার জন্য ,তার থেকে কেউ জ্ঞানী ,গুণী  ও মহৎ হতে পারে না । তাই লোক টি চিন্তা করলো যে মহাত্মা বুদ্ধ ...

মোটিভেশনাল কোটেস বাংলা | Motivational Quotes Bangla

যদি তুমি মনে কর তুমি সঠিক , তাহলে তুমি কারো কাছে নিজেকে  প্রমান  করতে যেও না । নিজের বিফলতার জন্য অন্যকে দোষারূপ করো না ,যেইদিন তুমি নিজের বিফলতার কারণ নিজেকে মনে করবে ,সেইদিন থেকে তুমি সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে । জীবনে কাউকে কোনদিন দুঃখ দিয়ো না , কারণ তুমি যা দিবে একদিন দ্বিগুন হয়ে সেটা তোমার কাছে ফিরে আসবে , এটাই প্রকৃতির নিয়ম । সবাইকে ভালোবাসতে শিখ , ভালোবাসা দিলে ভালোবাসা পাবে , আর কাউকে ঘৃণা করলে ঘৃণা পাবে , তুমি যা দেবে তা ফিরে আবার তোমার  কাছে এই আসবে । তুমি যদি সঠিক থাকো তাহলে অন্যের জন্য নিজেকে প্রমান  করতে যেও না ,কারণ ইহা  তোমার জীবন , তুমি নিজের মতো করে বাঁচতে শেখ । অন্যের জন্য নিজেকে কখনো পরিবর্ত্তন করো করো না , তুমি যা আছো ভালোই আছো । নিজের স্বার্থের জন্য অন্যকে কখনো ঠগিয়ো না।  তুমি মন্দিরে না যেতে পারলেও , নিজের মা বাবা কে যদি ভালোবাসো , সেবা করো সেটাই ভগবান সেবা , আর মা বাবা কে কষ্টে দিয়ে ভগবান পূজা করার কোন অর্থ হয় না । যদি কাউকে ভালোবাসতে চাও মন খুলে ভালোবাসো , যদি ব্যবসা ক...

অনুপ্রেরণামূলক গল্প গৌতম বুদ্ধ Inspirational Story Gautam Buddha

একবার গৌতম বুদ্ধ ,বুদ্ধ ধর্মের শিক্ষা প্রচারের জন্য গ্রাম গ্রাম শহর শহর নিজের শিষ্য দেড় নিয়ে ঘুরছিলেন ,পুরোদিন ঘুরতে ঘুরতে গৌতম বুদ্ধের জল পিপাসা পেয়ে গেলো ,জল পিপাসা এতই বেড়ে গেলো যে তিনি আর সহ্য করতে পড়তে ছিলেন না । তাই তিনি তার একজন শিষ্য কে ডেকে বললেন যে তার অনেক পিপাসা পেয়েছে তাই তার জন্য জল আনার জন্য । শিষ্য গুরুর আদেশে জল আনার জন্য গ্রামের ভিতরে গেলো ,গ্রামের মধ্যে দিয়ে একটি নদী বইছিল । কিন্তু সেই নদীতে গ্রামের সবাই কাপড় ধুইছিলো ,কেউ গরু ,মহিষ কে স্নান করাচ্ছিল ,তাই নদীর জল অপরিস্খার ছিল ,তাই শিষ্য চিন্তা করলো এই জল তো অপররিস্খার তার গুরুদেবের জন্য এই  অপরিস্খার জল নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না ,তাই শিষ্য জল না নিয়ে খালি হাতে চলে গেলো ,গৌতম বুদ্ধা যখন শিষ্য কে খালি হাথে চলে আসতে দেখেন তখন খালি হাতে আসার কারণ জিগ্গেস করেন ,তখন শিষ্য পুরো কাহিনী বলেন ।  এইদিকে গুরুদেবের পিপাসাতে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে ,গৌতম বুদ্ধা তখন আরেকজন শিষ্যকে জল আনার জন্য বলেন তখন সেই শিষ্য একটি   মাটির পাত্রতে পরিস্খার জল নিয়ে আসে ,তা দেখে গৌতম বুদ্ধা অভাক হয়ে গেলেন এবং এব...

জ্ঞান অর্জন কি ভাবে হয় ,গৌতম বুদ্ধ । How to gain knowledge, Gautama Buddha

  একদিন গৌতম বুদ্ধ এক সভাতে প্রবচন দিচ্ছিলেন । গৌতম বুদ্ধ প্রবচন শেষ করার পর ,যারা প্রবচন শুনতে এসেছিলেন তাদেরকে বল্লেন ," জাগো ,সময় হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে "। প্রবচন শেষ করার পর গৌতম বুদ্ধ তার প্রিয় শিষ্য আনন্দ কে বললেন " চলো আনন্দ একটু ঘুরে আসি "।  আনন্দ ও গৌতম বুদ্ধ এর সাথে বেরিয়ে পড়েন । কিন্তু আশ্ৰম এর মুখ্য দরজার সামনে এসে  আনন্দ ও গৌতম বুদ্ধ  দরজার এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেন , কারণ যারা গৌতম বুদ্ধের প্রবচন শুনতে এসেছিলেন তারা ধীরে ধীরে একজন একজন করে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন  আর ভিড় লেগে গিয়েছিলো ।  তাই আনন্দ আর গৌতম বুদ্ধ সবাইকে যেতে দেবার জন্য দরজার এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেন । আচানক ,সেই ভিড় থেকে একজন স্ত্রী এসে গৌতম বুদ্ধ কে প্রণাম করে ,এবং বলে " ভগবান আমি একজন নর্তকী ,আজ শহরের সভাপতির ঘরে আমার নৃত্যের অনুষ্ঠান ছিল ,কিন্তু আমি আপনার প্রবচনে এসে নের্তৃত্বের অনুষ্ঠান এর কথা  ভুলে  গিয়েছিলাম ।  কিন্তু যখন আপনি বললেন যে ," জাগো ,সময় হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে " ,তখন আমার অনুষ্ঠানের কথা মনে পরে যায় ,তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । ...

প্রেরণার গল্প , কৃষকের অলস তিন ছেলে |Motivational Story in Bengali ,Farmer's lazy three sons

একটি গ্রামে এক কৃষক ছিল । সে মধ্যবিত্ত ছিল ,মধ্যবিত্তি হলেও সে অনেক প্ররিশ্রমী ছিল । সে প্ররিশ্রম করতে ভালোবাস্তো ।ঘরে বসে থাকতে চাইতো না । অলসভাবে বসে থাকতে সে ঘৃণা করতো । কৃষকের স্ত্রী - সেও খুব পরিশ্রমী । দিনরাত স্বামীর সংগে সে পরিশ্রম করে । এমন করে দিন যায় । কৃষকের তিন পুত্র । কিন্তু তিনটি পুত্র হলো খুব অলস । খায় - দায় ,গল্প করে ,গান গায় ঘুরে বেড়ায় - কারও কাজে মন নেই এতটুকু । কৃষক তাদের কাজ শেখালো । কি করে মাটি কুপাতে হয় ,মোই দিতে দিতে হয় , চাষ করতে হয় , বীজ বুনতে হয় ,সব শিখলো তারা । কিন্তু কেউ কাজ করতো না । তারা জানতো সব, কিন্তু করতো না কিছু । গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়াতে তারা খুব ভালোবাসে । একদিন কৃষক গিন্নি কৃষকে বললো - শুনছ  গো ?- কি বলছো ? দেখছো ছেলেদের কান্ড ? হ্যাঁ ।  ছেলেরা ওরকম কুরে হলে তো দুদিনে বসে খেয়ে সব উড়িয়ে দেবে । তারপর কি হবে ? কৃষক চুপ করে রইলো । কিছুক্ষণ পরে শুধু একটু হেসে বললো - ঠিক সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে । এমন হবে দিন যায় । কৃষক গিন্নি স্বামীর কোথায় চুপ করে থাকে ।  দেখতে দেখতে কৃষক বৃদ্ধ হয়ে পড়লো । তখন সে একদিন স্ত্রীকে ডেকে বললো -...

Motivational story in Bengali

আমরা জীবনে যখন সফলতা পাই না ,মন নিরাশা হয়ে উঠে ,ভেঙ্গে পরি ,চতুর্দিকে অন্ধকার মনে হয় । তখন মনে এই জীবনে আমার আর কিছু হবে না ,আমি কিছু করতে পারবো না ,আমার ধারা কিছু হবে না ,আমি জীবনে সফল হতে পারবো না ,তখন নিজের উপর রাগ হয় ,নিজিকে ছোট বলে মনে হয় ।  কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে ভগবান আমাদের সমান ভাবে এই পৃথিবীতে জন্ম দিয়েছেন ,সমান ভাবে সবার কাছে আছেন ,ছুতো ,বোরো ,উচ,নিচ সবার কাছে সমান ভাবে ।এই পৃথিবীতে সবাই কুনো না কুনো কিছু পাওয়ার জন্য ছুটছে ,কেউ সফল হচ্ছে আবার কেউ বিফল হচ্ছে ,যারা সফল হচ্ছে তাদের কে দেখে আমরা বলে থাকি যে ওদের ভাগ্য ভালো তাই সফল হয়েছে আর আমাদের ভাগ্য খারাপ তাই আমরা বিফল । কিন্তু এটা ভুল কথা ভাগ্য বলে কুনো কিছু হয়ে না , আমাদের নিজের ভাগ্য নিজের হাতে ,আমরা নিজের ভাগ্য নিজে তৈরি করতে পারি । যখন আমরা বিফল  হয়ে থাকি তখন আমরা চিন্তা করি কি ? কেন বিফল হলাম ? কুথায় ভুল হলো যার কারণে সফল হতে পারলাম না । তা চিন্তা না করে বিফল হওয়ার দুঃখ করে থাকি । আমরা জীবনে একবার বিফল হলেই ভেঙ্গে পরি ,আমরা সেই  কাজ করা ছেড়ে দেই । আমরা আমাদের উপর থেকে বিশ্বাস ছেড়ে দেই ,নি...