সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অনুপ্রেরণামূলক গল্প গৌতম বুদ্ধ Inspirational Story Gautam Buddha

একবার গৌতম বুদ্ধ ,বুদ্ধ ধর্মের শিক্ষা প্রচারের জন্য গ্রাম গ্রাম শহর শহর নিজের শিষ্য দেড় নিয়ে ঘুরছিলেন ,পুরোদিন ঘুরতে ঘুরতে গৌতম বুদ্ধের জল পিপাসা পেয়ে গেলো ,জল পিপাসা এতই বেড়ে গেলো যে তিনি আর সহ্য করতে পড়তে ছিলেন না । তাই তিনি তার একজন শিষ্য কে ডেকে বললেন যে তার অনেক পিপাসা পেয়েছে তাই তার জন্য জল আনার জন্য ।

অনুপ্রেরণামূলক গল্প গৌতম বুদ্ধ , Inspirational Story Gautam Buddha


শিষ্য গুরুর আদেশে জল আনার জন্য গ্রামের ভিতরে গেলো ,গ্রামের মধ্যে দিয়ে একটি নদী বইছিল । কিন্তু সেই নদীতে গ্রামের সবাই কাপড় ধুইছিলো ,কেউ গরু ,মহিষ কে স্নান করাচ্ছিল ,তাই নদীর জল অপরিস্খার ছিল ,তাই শিষ্য চিন্তা করলো এই জল তো অপররিস্খার তার গুরুদেবের জন্য এই 

অপরিস্খার জল নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না ,তাই শিষ্য জল না নিয়ে খালি হাতে চলে গেলো ,গৌতম বুদ্ধা যখন শিষ্য কে খালি হাথে চলে আসতে দেখেন তখন খালি হাতে আসার কারণ জিগ্গেস করেন ,তখন শিষ্য পুরো কাহিনী বলেন । 


এইদিকে গুরুদেবের পিপাসাতে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে ,গৌতম বুদ্ধা তখন আরেকজন শিষ্যকে জল আনার জন্য বলেন তখন সেই শিষ্য একটি   মাটির পাত্রতে পরিস্খার জল নিয়ে আসে ,তা দেখে গৌতম বুদ্ধা অভাক হয়ে গেলেন এবং এবং শিষ্য কে জিজ্ঞাসা করেন যে এই পরিস্খার জল পেলেন কোথায় । 


তখন শিষ্য বলেন যে আমি যখন নদীর কিনারে জল আনার জন্য যাই দেখি সবাই নদীতে কাপড় ধুচ্ছিলো ,গরু ,মহিষ কে স্নান করেছিল ,আমি নদীর কিনারে বসে গ্রামের সবার কাজ শেষ করার জন্য অপেক্ষ্যা করছিলাম ,সবাই কাজ কর্ম্ম শেষ করে  যাওয়ার পর আমি জলের উপরে থাকা ময়লা জলের নিচে বসার জন্য অপেখ্যা করছিলাম । 

যখন ময়লা জলের নিচে বসে যায় ,তখন জল নিয়ে আসি । শিষ্যের এই উত্তর শুনে গৌতম বুদ্ধা খুব খুশি হন এবং সব শিষ্য কে একটি শিক্ষা দেন ,যে জোবনে আমাদের যে কুনো কাজে ধর্য্য সহকারে কাজ করতে হয় ,যে কোনো কাজ শুরু করে ,প্রথম বারেই বিফল হয়ে কাজ ছেড়ে না দিয়ে আবার চেষ্টা করে যাওয়া চেস্টা করতে করতে একদিন সাফল্য আসবে ,তাই চেষ্টা করে যাওয়া উচিত ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অনুপ্রেরণার বাণী ভগবান কৃষ্ণ বাংলা | Motivational quotes Bhagawan Krishna in Bangla

না এই শরীর তোমার , না তুমি এই শরীরের । এই শরীর অগ্নি ,জল,বায়ু , পৃথিবী দিয়ে তৈরি , আর একদিন  এই অগ্নি ,জল,বায়ু , ও পৃথিবীতে মিশে যেতে হবে । আত্মা অমর , না কেউ আত্মা কে মারতে পারে না আত্মার মৃত্যু হয় । আত্মার  জন্ম নেই , না কখনো মৃত্যু হয় । শরীর নষ্ট হয়ে গেলেও , আত্মা নষ্ট হয় না । তুমি নিজেকে  ভগবানের কাছে অর্পণ করে দাও , যে ভগবানের মহিমাকে বুঝতে পারে সে জীবনের ভয়, চিন্তা , সব ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি থাকে ।  Video https://youtu.be/roDOuFiod7w মনুষ্য যেমন পুরোনো কাপড় ছেড়ে নতুন কাপড় পরিধান করে । সেই রকম আত্মা ও পুরোনো শরীর পরিত্যাগ করে নতুন শরীর  ধারণ করে । না কোনো অস্ত্র আত্মা কে কাটতে পারে।, না অগ্নি আত্মা কে জ্বলাতে পারে , না বায়ু আত্মা কে শুকাতে পারে , না  জল আত্মা কে ভিজাতে পারে । আত্মা অমর , আত্মার বিনাশ নেই । পরিবর্তন সংসারের নিয়ম ,যাহাকে তুমি মৃত্যু বলে ভাবছো , সেটাই তো জীবন । আমার - তোমার , ছোট , বড় ,আপন , পর সবকিছু মন থেকে মিটিয়ে দাও , তারপর দেখো সব তোমার , তুমি সবার । সম্মানিত ব্যক্তির কাছে অপমান মৃত্যু...

গৌতম বুদ্ধের অনুপ্রেরণার কাহিনী । জীবন বদলে দেবে এই কাহিনী

  এক গরিব দুঃখী বেক্তির জীবন পরিবর্তনের কাহিনী ।.   আমরা জীবনে এই নিয়ে দুঃখিত থাকি যে  ইহার কারণ কি ?আমরা সবাই এটাই সবসময় মনে করে থাকি ,আমি  অন্যদের থেকে অনেক দুঃখিত ,অনেক কষ্ট করছি ,জীবনে কষ্ট সবচেয়ে বেশি আমার । অন্যরা আমার থেকে অনেক সুখে আছে ,শান্তিতে আছে , কিন্তু আমাদের এই চিন্তা ভুল । ভগবান আমাদের জন্মের সাথে সাথে জীবনে ভালো ভাবে বেঁচে থাকার জন্য যা প্রয়োজন সবকিছু দিয়ে দিয়েছেন । ভগবান গৌতম বুদ্বের এই গল্প থেকে বুজতে পারবো । গৌতম বুদ্ধ  একবার  তার শিষ্যদের সাথে একটি গ্রামে গিয়েছিলেন । সেই গ্রামের লোকেরা তাদের সমষ্যা নিয়ে গৌতম বুদ্ধের কাছে যেত এবং তাদের সমস্যার সমাধান নিয়ে হাসি মুখে বাড়ি ফায়ার যেত । ওই গ্রামের রাস্তার ধরে একটি লোক বসে থাকতো এবং গৌতম বুদ্বের কাছে আসা প্রতিটি লোককে খুব মনোযোগ সহকারে  লক্ষ্য  করতো , সে এটা দেখে খুব অবাক হতো যে লোকতো  আসে অনেক মন খারাপ নিয়ে , কিন্তু যখন তারা গৌতম বুদ্ধের দর্শন করে ফিরত তারা অনেক খুশি থাকত , এবং মুখে থাকতো একটা হাসি ।  তাই গরিব ব্যক্তিটি মনে মনে ভাবলো যদি আমিও আমার সমস্যার কথা গৌত...