সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জ্ঞান অর্জন কি ভাবে হয় ,গৌতম বুদ্ধ । How to gain knowledge, Gautama Buddha

  একদিন গৌতম বুদ্ধ এক সভাতে প্রবচন দিচ্ছিলেন । গৌতম বুদ্ধ প্রবচন শেষ করার পর ,যারা প্রবচন শুনতে এসেছিলেন তাদেরকে বল্লেন ," জাগো ,সময় হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে "। প্রবচন শেষ করার পর গৌতম বুদ্ধ তার প্রিয় শিষ্য আনন্দ কে বললেন " চলো আনন্দ একটু ঘুরে আসি "।  আনন্দ ও গৌতম বুদ্ধ এর সাথে বেরিয়ে পড়েন । কিন্তু আশ্ৰম এর মুখ্য দরজার সামনে এসে  আনন্দ ও গৌতম বুদ্ধ  দরজার এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেন , কারণ যারা গৌতম বুদ্ধের প্রবচন শুনতে এসেছিলেন তারা ধীরে ধীরে একজন একজন করে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন  আর ভিড় লেগে গিয়েছিলো ।  তাই আনন্দ আর গৌতম বুদ্ধ সবাইকে যেতে দেবার জন্য দরজার এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেন । আচানক ,সেই ভিড় থেকে একজন স্ত্রী এসে গৌতম বুদ্ধ কে প্রণাম করে ,এবং বলে " ভগবান আমি একজন নর্তকী ,আজ শহরের সভাপতির ঘরে আমার নৃত্যের অনুষ্ঠান ছিল ,কিন্তু আমি আপনার প্রবচনে এসে নের্তৃত্বের অনুষ্ঠান এর কথা  ভুলে  গিয়েছিলাম ।  কিন্তু যখন আপনি বললেন যে ," জাগো ,সময় হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে " ,তখন আমার অনুষ্ঠানের কথা মনে পরে যায় ,তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । ...

প্রেরণার গল্প , কৃষকের অলস তিন ছেলে |Motivational Story in Bengali ,Farmer's lazy three sons

একটি গ্রামে এক কৃষক ছিল । সে মধ্যবিত্ত ছিল ,মধ্যবিত্তি হলেও সে অনেক প্ররিশ্রমী ছিল । সে প্ররিশ্রম করতে ভালোবাস্তো ।ঘরে বসে থাকতে চাইতো না । অলসভাবে বসে থাকতে সে ঘৃণা করতো । কৃষকের স্ত্রী - সেও খুব পরিশ্রমী । দিনরাত স্বামীর সংগে সে পরিশ্রম করে । এমন করে দিন যায় । কৃষকের তিন পুত্র । কিন্তু তিনটি পুত্র হলো খুব অলস । খায় - দায় ,গল্প করে ,গান গায় ঘুরে বেড়ায় - কারও কাজে মন নেই এতটুকু । কৃষক তাদের কাজ শেখালো । কি করে মাটি কুপাতে হয় ,মোই দিতে দিতে হয় , চাষ করতে হয় , বীজ বুনতে হয় ,সব শিখলো তারা । কিন্তু কেউ কাজ করতো না । তারা জানতো সব, কিন্তু করতো না কিছু । গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়াতে তারা খুব ভালোবাসে । একদিন কৃষক গিন্নি কৃষকে বললো - শুনছ  গো ?- কি বলছো ? দেখছো ছেলেদের কান্ড ? হ্যাঁ ।  ছেলেরা ওরকম কুরে হলে তো দুদিনে বসে খেয়ে সব উড়িয়ে দেবে । তারপর কি হবে ? কৃষক চুপ করে রইলো । কিছুক্ষণ পরে শুধু একটু হেসে বললো - ঠিক সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে । এমন হবে দিন যায় । কৃষক গিন্নি স্বামীর কোথায় চুপ করে থাকে ।  দেখতে দেখতে কৃষক বৃদ্ধ হয়ে পড়লো । তখন সে একদিন স্ত্রীকে ডেকে বললো -...

Motivational story in Bengali

আমরা জীবনে যখন সফলতা পাই না ,মন নিরাশা হয়ে উঠে ,ভেঙ্গে পরি ,চতুর্দিকে অন্ধকার মনে হয় । তখন মনে এই জীবনে আমার আর কিছু হবে না ,আমি কিছু করতে পারবো না ,আমার ধারা কিছু হবে না ,আমি জীবনে সফল হতে পারবো না ,তখন নিজের উপর রাগ হয় ,নিজিকে ছোট বলে মনে হয় ।  কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে ভগবান আমাদের সমান ভাবে এই পৃথিবীতে জন্ম দিয়েছেন ,সমান ভাবে সবার কাছে আছেন ,ছুতো ,বোরো ,উচ,নিচ সবার কাছে সমান ভাবে ।এই পৃথিবীতে সবাই কুনো না কুনো কিছু পাওয়ার জন্য ছুটছে ,কেউ সফল হচ্ছে আবার কেউ বিফল হচ্ছে ,যারা সফল হচ্ছে তাদের কে দেখে আমরা বলে থাকি যে ওদের ভাগ্য ভালো তাই সফল হয়েছে আর আমাদের ভাগ্য খারাপ তাই আমরা বিফল । কিন্তু এটা ভুল কথা ভাগ্য বলে কুনো কিছু হয়ে না , আমাদের নিজের ভাগ্য নিজের হাতে ,আমরা নিজের ভাগ্য নিজে তৈরি করতে পারি । যখন আমরা বিফল  হয়ে থাকি তখন আমরা চিন্তা করি কি ? কেন বিফল হলাম ? কুথায় ভুল হলো যার কারণে সফল হতে পারলাম না । তা চিন্তা না করে বিফল হওয়ার দুঃখ করে থাকি । আমরা জীবনে একবার বিফল হলেই ভেঙ্গে পরি ,আমরা সেই  কাজ করা ছেড়ে দেই । আমরা আমাদের উপর থেকে বিশ্বাস ছেড়ে দেই ,নি...

Swami Vivekananda, Birth and Childhood

  স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ব নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত । কলকাতার শিমুলিয়া পল্লীর কায়স্ত পরিবারে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে ১২ জানুয়ারী জন্ম গ্রহণ করেন । স্বামী বিবেকানন্দের পিতার নাম ছিল বিশ্বনাথ দত্ত মাতার নাম ছিল ভুবেনেশ্বরী । পিতা বিশ্বনাথ দত্ত হাইকোর্ট এর এটর্নি ছিলেন । নরেন্দ্রনাথের পিতামহের্ নাম ছিল দুর্গগাচরণ দত্ত ,একমাত্র পুত্র বিশ্বনাথ দত্ত এর জন্মের পর পঁচিশ বছর বয়সে তিনি ভগবান লাভের জন্য চিরতরে গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছিলেন ।  নরেন্দ্রনাথের জন্মের পূর্বে ভুবেনেশ্বরীদেবী  একটি পুত্র এবং দুটি কন্যা লাভ করলেও তাদের ভিতর দুটি কন্যা মাত্র জীবিত ছিল । তাই সে সময় ভুবেনেশ্বরী দেবী পুত্র লাভের জন্য শিবের আরাধনা শুরু করেন । কাশিতে একজন রোজ বীরেশ্বর শিবের পূজা দিতে বলেন ।তার পর নরেন্দ্রনাথ এর জন্ম হয় । বীরেশ্বর শিবের প্রসাদে পুত্রলাভ করেছেন ,এই বিস্বাসে ভুবেনেশ্বরী দেবী পুত্র এর নাম রাখলেন বীরেশ্বর; পরে অন্যপ্রশ্নের সময় নামকরণ হয় নরেন্দ্রনাথ ।তবে বাড়িতে বিলে নাম পরিচিত ছিলেন ।                        ...

বন্ধুত্ব কৃষ্ণ এবং সুদামা Friendship krishna and sudhama

বন্ধুত্ব হ'ল যে কারও কাছে থাকা সবচেয়ে দুর্দান্ত সম্পর্ক। আদর্শভাবে একটি বন্ধু হ'ল এমন ব্যক্তি যিনি প্রেম এবং শ্রদ্ধা জানান এবং কখনও আমাদের ছেড়ে চলে বা বিশ্বাসঘাতকতা করেন না। বিপদের সময় পাশে এসে দাঁড়ান । বন্ধুত্ব থাকা সান্ত্বনা। সংকট ও হতাশার সময়ে, একজন বন্ধু আমাদেরকে শান্ত করতে এবং আমাদের আত্মাকে উন্নত করতে সাহায্য করার জন্য সেখানে উপস্থিত হন। অনেক চিত্র রয়েছে যা দেখায় যে বন্ধু কেন দুর্দান্ত আরামদায়ক হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও শিক্ষার্থী স্কুলে একটি কঠিন সময় পার করে থাকে তবে কোনও বন্ধু গাইডেন্স, উত্সাহ এবং সহায়তা দিতে পারে। সত্যিকারের বন্ধু হ'ল এমন ব্যক্তিও যিনি আমাদের ভালবাসেন এবং শ্রদ্ধা করেন। একজন প্রেমিক এবং একটি বান্ধবী একে অপরের সাথে থাকতে ইচ্ছা করে। তারা একে অপরকে এত ভালবাসে যে তারা যথাসম্ভব একে অপরের সাথে থাকতে চায়। এই বন্ধনটি একটি ভাল বন্ধুত্বের সাথেও উপস্থিত কারণ এটির আসল প্রেম রয়েছে। এছাড়াও, বন্ধু হিসাবে তারা একে অপরকে শ্রদ্ধা করে।  বন্ধু  হিসাবে, আমরা প্রত্যেকে একে অপরের জন্য ত্যাগ স্বীকার করি। কিছু বন্ধু বন্ধুর জন্য তা...

অহংকার বিনাশের মূল কারণ

                                                                            অহংকার বিনাশের মূল কারণ ,এই পৃথিবীতে মানব জীবনের সবচেয়ে বড় শত্র্রু হলো অহংকার । অহংকার মানব জীবন কে ধ্বংস করে দেয় ,ঈশ্বর প্রাপ্তি থেকে বঞ্চত করে দেয় ,অহংকার আপনার মহৎ কাজে বাধা উৎপন্ন করে । তাই অহংকার মানব জীবন কে ধ্বংস করার পূর্বে অহংকার কে ধ্বংস করে দেয়া উচিত । যখন অর্জুন এর মদ্যে  অহংকার  আসে অর্জুন নিজিকে ত্রিলোকের সর্বশ্রষ্ট ধনুরধার মনে করতে শুরু করেন ,তাই অর্জুনকে তার অহংকার থেকে মুক্তি করার জন্য ,হনুমান কে পাঠালেন । হনুমান রামসেতুর ধরে বসে ধ্যান করছিলেন ,এমন সময় অর্জুন সেই  রাম সেতুর পাশ  যাচ্ছিলেন ,হনূমান কে ধ্যান এ দেখে জিজ্ঞাসা করলেন আপনি কে? হনূমান তখন বললেন  আমি একজন রাম ভক্ত ,                     ...

গীতার পাঁচটি মূল্যবান বাণী যা আপনার জীবনকে বদলে দেবে

    গীতার পাঁচটি মূল্যবান বাণী যা আমাদের জীবন কে বদলে দিলে পারে ,আমরা জীবনে একটি বড় আশা নিয়ে কাজ করতে শুরু করি ,অনেক পরিশ্রম করি কিন্তু যখন অনেক পরিশ্রম করার পর কোনো ধরণের সফলতা পাই না তখন আমরা ভেঙ্গে পড়ি ,নিরাশ হয়ে যাই  ,সেই কাজটি করার আর মন বসে না ,কিন্তু একটি কথা মনে রাখতে হবে এই পৃথিবীতে যারা বিশাল সাফল্য পেয়েছেন ,তারা কিন্তু প্রথম বারে সফল হন নি ,অনেকবার বিফল হয়েছেন ,বিফলতা থেকে শিক্ষা নিয়েছেন ,সেই শিক্ষা নিয়ে অনেক বার বিফল হওয়ার পর সফল হয়েছেন ,নিজের কাজের প্রতি পর জ্ঞান অর্জন না করা পর্যন্ত সফল হওয়া যাই না , কাজে সফল হতে হলে কাজের পুরো জ্ঞান নিতে হবে ,কাজ করতে হবে মনোযোগ সহকারে ফলের আসা না করে,কাজ করতে হবে নির্ভীক হয়ে নিজের কাজের প্রতি সততা  হতে হবে সহ্য করে সমুদ্রের মতো স্থিতিশীল হয়ে কাজ করে যেতে হবে ।                        ভগবান শ্রী কৃষ্ণ ভগবাদ গীতাতে পাঁচটি মূল্যবান  বাণী উল্লেখ করেছেন । এই পাঁচটি বাণী যদি আমরা জীবনে  মেনে চলি আমরা জীবনে সফল হবই ।এই পাঁচটি বাণী হল ...